ইশতেহার ঘোষণা করছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

প্রতিহিংসার রাজনীতি দূরীকরণ, নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা ও বিকেন্দ্রীকরণ, দুর্নীতি দমন ও সুশাসনসহ ১৪টি বিষয়ে আমূল পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

সোমবার হোটেল পূর্বাণী ইন্টারন্যাশনালে সংবাদ সম্মেলন ইশতেহারের বিস্তারিত তুলে ধরছেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। ইশতেহার পড়ে শোনান নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিশ্রুতির মধ্যে যা রয়েছে:

১. জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসনে কমিশন গঠন করা হবে।

২. হত্যা ও গুম পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।

৩. ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বাতিল করা হবে।

৪. নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরি করা হবে।

৫. পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না।

৬. পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ব্যতীত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের কোনো বয়সসীমা থাকবে না।

৭. সরকারের দুর্নীতি তদন্ত করে বিচার করা হবে। জেলা পরিষদ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবে।

৮. পিএসসি জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

৯. গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি হবে ১২ হাজার টাকা। প্রথম বছরে গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না।

১০. প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হবে।

১১. রাজনীতিতে প্রতিহিংসা বা জিঘাংসার অবসান।

১২. ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ চলমান রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here