জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর মহাসচিব আল্লামা নূর হোছাইন কাসেমী বলেন, বিএসএফ’র নির্বিচার বাংলাদেশী খুনের বিরুদ্ধে সরকারীভাবে কার্যকর পদক্ষেপ তো দূরের কথা, মৌখিক কড়া প্রতিবাদ জানাতেও আমরা দেখছি না। এটা গভীর বেদনাদায়ক, লজ্জার ও নিন্দনীয়। সরকারের দুর্বল জনসমর্থন এবং ভারত নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণেই বিএসএফ এমন দুঃসাহস দেখাচ্ছে। ভারতীয় বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে। আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোন আপোষকামিতা চলবে না।

আজ বৃহস্পতিবার বাদ আসর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইটে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, পুলিশ হেফাজতে ও সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক মানুষ হত্যার প্রতিবাদে এবং যিনা-ব্যভিচার ও ধর্ষণ রোধে ৬ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে সমমনা ইসলামী দলসমুহ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি বলেন, শুধু আইন করলেই হবে না, ধর্ষণ ও যেনা-ব্যভিচার বন্ধ করতে হলে এগুলোর উৎস বন্ধ করতে হবে। গোড়া রেখে ডাল-পালা কাটলে বৃক্ষ যেমন সমূলে ধ্বংশ করা যায় না, ধর্ষণের উৎস বন্ধ না করে মৃত্যুদ-ের আইন দিয়ে ধর্ষন বন্ধ করা যাবে না।

পুলিশী হেফাজতে সিলেটের রায়হান হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে আল্লামা কাসেমী বলেন, হত্যার ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়ে জনগণকে শান্ত করা যাবে না। এটা যে পুলিশী হত্যাকান্ড ছিল, তা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট। সুতরাং দোষী পুলিশ সদস্যদের কঠিন শাস্থি কার্যকর করতে হবে।

তিনি আরো বলেন দ্রব্যমূল্য আজ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। আলু পিয়াজসহ নিত্য পণ্যের দাম দিন দিন হুহু করে বাড়ছে, এ দিকে সরকারের কোন নজর নেই। শীতকালীন সবজীর দাম সবসময় কম থাকে, কিন্তু এখন তার সম্পূর্ণ বিপরীত। যে সবজী উৎপাদন করে কৃষক পাচ্ছে কেজি প্রতি মাত্র ৫/৬ টাকা সে সবজীর দাম বাজারে ৪০-৫০ টাকা। তা কোনভাবেই বরদাশত করা যায়না। সরকারের উচিত দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকর ভুমিকা পালন করা।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here