টঙ্গীর তুরাগ তীরে আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হতে হচ্ছে প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমা। ইতোমধ্যে ইজতেমার প্রায় সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। ইজতেমা ময়দানে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। এবার ইজতেমায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৮হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

ইতোমধ্যে ময়দানের ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। প্রতি বছরের মতো এবারও বাড়তি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন মাঠের ভেতর ও বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

১০ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া প্রথম পর্বের ইজতেমার আখেরি মোনাজাত হবে ১২ জানুয়ারি রবিবার। মাঝে ৪দিন বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা আগামী ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে ১৯ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মুসল্লির সমাগমকে সামনে রেখে প্রতিদিন সাড়ে তিন কোটি গ্যালন পানির ব্যবস্থা থাকছে। বাড়তি টয়লেট নির্মাণ ও পাকা টয়লেটগুলো ব্যবহার উপযোগী করা হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনে মুসল্লিদের কোনো সমস্যা হবে না।

গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার আনোয়ার হোসেন বলেন, বিশ্ব ইজতেমায় আগত লাখ লাখ মুসল্লির নিরাপত্তায় পুরো ইজতেমা ময়দান ও এর আশেপাশে এলাকায় পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। সিসিটিভি, আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর থাকছে পুরো ময়দানজুড়ে। খিত্তায় খিত্তায় নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। সার্বিক নিরাপত্তায় এবার ইজতেমায় ৮ হাজার পুলিশ সদস্য কাজ করবে।

এবারের ইজতেমা রেকর্ড সংখ্য মানুষের উপস্থিতির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ব ইজতেমার মাঠের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। আগের খিত্তাগুলোর সঙ্গে এবার অতিরিক্তি ১৪টি খিত্তা যোগ করা হয়েছে। বাসস

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here