ছবি সংগৃহীত

যমযম ডেস্কঃ  বিদ্যা মানে জ্ঞান, জ্ঞান মানে আলো৷ আলয় মানে স্থান৷ সুতরাং বিদ্যালয় মানে জ্ঞানের স্থান বা আলোর স্থান৷ যেখান থেকে জ্ঞানের আলো আহরণ করে শিক্ষার্থীরা সভ্যতার পথে পা বাড়াবে, উন্নতি অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে৷ মানবতার মুক্তির জন্য জ্ঞানের মশাল হাতে আনাচ-কানাচ ছড়িয়ে পড়বে৷ সেই বিদ্যালয়ই যদি আলোহীন হয় তাহলে আলো ছড়াবে কোত্থেকে৷

এ দায় সবার আগে সমাজের৷ তবে পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, কেমন যেন আজকের সমাজের মানুষগুলো অনুভূতিহীন হয়ে গেছে৷ আরে! মানব আর দানবের মধ্যে মূলত পার্থক্য তো এই জায়গাতেই যে, মানব সভ্যতাকে গ্রহণ করবে সভ্যতাকে প্রশ্রয় দেবে আর অসভ্যতাকে প্রত্যাখ্যান করবে প্রতিরোধ করবে৷

গেলো বছর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে এমন কয়েকটি বিষয় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে কোন সভ্যতা ছিল না’ ছিলো অসভ্যতার জয়গান৷ যুগে যুগে অসভ্যতা ছিল৷ কিন্তু সভ্যতার ধারক বাহকরা অসভ্যতাকে বিতাড়ণ করে সভ্যতার পাল তুলে দিয়েছিল৷

কথায় বলে সর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে এই ভূত তাড়াবে কে? যেখানে শিক্ষকরা ধারণ করবেন সভ্যতার চাবিকাঠি, শোধরাবেন ছাত্রদেরকে। সেখানে শিক্ষকদের সামনেই কিনা অসভ্যতার প্রদর্শন।

আসলে সভ্যতার ধারক বাহকরা এখন অবচেতন অনুভূতিহীন৷ না হয় একটির পর একটি ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে অথচ সেখানে কোন প্রতিরোধ দেখা যাচ্ছে না৷ এভাবেই হয়তো বা একদিন বিদায় নেবে সভ্যতা৷ অসভ্যরা অসভ্যতাকেই দাঁড় করিয়ে দেবে সভ্যতার জায়গায়৷

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here