রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ঐতিহাসিক জনসভা থেকে ৭ দফা দাবি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এসব দাবি পড়ে শুনান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- তফসিল ঘোষণার আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানসহ সকল নেতাকর্মীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, সরকার ভেঙে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার, ইভিএম বাতিল, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও নতুন করে মামলা দেয়া বন্ধ করা।

দাবি আদায়ে বিএনপির সমাবেশ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়, আগামী ৩ অক্টোবর জেলা পর্যায়ে সমাবেশ ও ডিসি বরাবর স্মারকলিপি পেশ এবং ৪ অক্টোবর বিভাগীয় শহরে সমাবেশ ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান।

জনসভায় বিএনপির নেতারা বলেন, ক্ষমতায় আসলে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া বিদুৎ ও জ্বালানি সেবা নিশ্চিত করা, গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বজায় রাখাসহ, জঙ্গিদের ভূখন্ড ব্যবহার করতে না দেয়াসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি।

এই সভার প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির কারারুদ্ধ চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। প্রধান বক্তা দলটির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সভাপতির ভাষণ দেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার দুপুর ২টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ জনসভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

জনসভা শুরুর পর স্বাগত বক্তব্য দেন ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান।

জনসভা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আজকের এ সভা করে বিএনপি।

তবে দুপুর ২টায় জনসভা শুরু হলেও দুপুর ১১টার আগে থেকেই নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে এসে হাজির হন। বিএনপির নেতাকর্মীদের আগমনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here