বৈঠক থেকে ৫ সিদ্ধান্ত

 

১লা ডিসেম্বর টঙ্গী ইজতেমার মাঠে সাদপন্থী সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত ও নৃশংস হামলার প্রেক্ষিতে করণীয় নির্ধারণে   আজ সোমবার (১০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসায় দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও তাবলীগী মুরব্বিদের সম্মিলিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক থেকে তাবলীগে চলমান সংকট নিরসনে ৫টি মৌলিক সিদ্ধান্ত আসে।

সকাল ১১টায় হাটহাজারী মাদরাসার সেমিনার হলে এই বৈঠক শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ৩টায় শেষ হয়।


মৌলিক সিন্ধান্তসমূহ- 


১. টঙ্গীর ইজতেমার মাঠে সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেফতার।

২. ইন্জিনিয়ার ওয়াসিফুল ইসলাম, নাসিমসহ টঙ্গী হামলার ইন্ধনদাতাদের কাকরাইল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা।

৩. উলামায়ে কেরামের নেতৃত্বে মাওলানা সাদের বিভ্রান্তিসমূহ এবং এই বিষয়ে একটি ফতোয়া তৈরি করে সারা দেশে প্রচার করা। এই লক্ষ্যে ৬-১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা।

৪. তাবলিগের কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১৫-১৮ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা। তাতে দেশের শীর্ষ আলেম ও তাবলিগি মুরব্বিদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

৫. যথাসময়ে ইজতেমার আয়োজন করা। তবে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পূর্ব নির্ধারিত তারিখের কাছাকাছি সময়ে অন্য কোনো তারিখও নির্ধারণ করা যেতে পারে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের মজলিসে আমেলা (নির্বাহী কমিটি), মজলিসে খাস, সম্মিলিত কওমি শিক্ষাবোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিয়াতিল কওমিয়ার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও সারাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্বশীল আলেমগণ সম্মেলনে শরিক হয়েছেন। তারা সবাই চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কারগুজারি পেশ করেন বৈঠকে।

উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর ইজতেমার মাঠে কাজ করা তাবলিগের সাথী ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা চালায় সাদপন্থীরা। এতে ১ জন নিহতসহ আহত হয় সহস্রাধিক। বহু সাথী ও মাদরাসা শিক্ষার্থী হাত পা ভেঙে চিকিৎসাধীন আছেন।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here