চেতনা, সংস্কৃতি এবং সৌন্দর্যের নামে ভাস্কর্য স্থাপন হারাম। যারা এটাকে হালাল বলে, তাদের সঙ্গে ব্রাহ্মণের কোনো পার্থক্য নেই। এর সঙ্গে কোনো মুসলমানের কোনো সম্পর্ক নেই। মূর্তি ভাস্কর্যের নামে হোক, প্রতিকৃতি, প্রতিমার নামে হোক, তা সবই শিরকের উপকরণ।

২৭ নভেম্বর শুক্রবার জুমার বয়ানে এমনই মন্তব্য করেছেন মাওলানা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী জৈনপুরী। তিনি বলেন, ‘মূর্তি ও ভাস্কর্য সরাসরি শিরক। স্বাধীনতার চেতনার নামে এগুলো চলবে না। স্বাধীনতার মূল স্পিরিট ছিল ইসলাম ও মুসলিম। সুতরায় ইসলামি চেতনা বিরুদ্ধ কিছু আমরা মানবো না।’

তিনি বলেন, ‘ইবরাহিম আ. যখন মূর্তির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, নমরুদের অনুসারীরা তাকে জালিম বলে আগুনে পোড়াতে চেয়েছিল। আজকে যেসব আলেম মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, নমরূদের উত্তরসূরীরা তাদেরকে মৌলবাদি আখ্যা দিয়ে ঘাড় মটকে দিতে চায়। অতীতে জয় হয়েছিল ইবরাহিম আ. এর, এখনও জয় হবে ইবরাহিম আ.-এর উত্তরসূরীদের।’

ভাস্কর্যের পক্ষ নেয়া কতক বিভ্রান্ত আলেমের ব্যাপারে আরেক বয়ানে তিনি বলেন , ‘আল্লাহর কাবাকে যে মৌলভি ভাস্কর্য বলেছে, নিঃসন্দেহে সে কাফের মুরতাদ হয়ে গেছে। কারণ আল্লাহ কুরআনে ভাস্কর্যকে নাপাক বলেছেন। যে কাবাকে ভাস্কর্য বললো, কাবাকে অসম্মান করার কারণে সে কুফরি করেছে।’

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here