বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ বলেছেন, টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে হামলা ও সন্ত্রাসী তান্ডবের ৬ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও সরকার হামলাকারীদের মূলহোতা ওয়াসিফ ও নাসিম গংদেরকে গ্রেফতার করেনি। অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি দিতে হবে। অন্যথায় দিন দিন ফুসে উঠা তৌহিদী জনতার আন্দোলনকে সরকার শামাল দিতে পারবেনা।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ব ইজতেমা ময়দান দেশের ওলামায়ে কেরামের জিম্মায় দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্ব ইজতেমা করতে দিতে হবে। সকল হামলাকারী ও তাদের সহযোগীদের তালিকা করে গ্রেপ্তার এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। উগ্র, সন্ত্রাসী সা’দপন্থীদের আক্রমণে শহীদ ও হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে অবহেলাকারী আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিচার করতে হবে।

আজ বাদ জুমা টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবীতে কামরাঙ্গীরচরে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির ভাষনে তিনি এসব কথা বরেন।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, মুফতি আব্দুল হাফিজ, জাতীয় ইমাম সমাজ কামরাঙ্গীরচর থানা সভাপতি মুফতি ইলিয়াছ কাসেমী, মুফতি ফখরুর ইসলাম, মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী,মাওলানা ফজলুল্লাহ, মুফতি হাবীবুর রহমান, মুফতি আ ফ ম আকরাম হুসাইন, মুফতি আব্দুর রহমান বেতাগী, মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ নোমানী, মুফতি, মুফতি ওমর ফারুক, মুফতি সাইফুল্লাহ নোমানী, মুফতি আব্দুস সালাম প্রমুখ।
সভায় বক্তারা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সাদ ও ওয়াসিফ পন্থীদের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবী জানান।
সমাবেশ শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল মাদবর বাজার, বড়গ্রাম ও খোলামোড়া প্রদক্ষিণ করে থানার সামনে এসে শেষ হয়।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here