সাদপন্থীরা তাবলীগের উদ্দেশ্যে টঙ্গীতে আসেনি, এসেছে ময়দান দখল করতে। এ খবর আগে থেকেই আঁচ করা যাচ্ছিল।  কিন্তু তারা যে এতটা নরপিশাচের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে তা আগে থেকে বুঝা যায়নি।

তারা মাঠে অবস্থানরত সাথীদের উপর আক্রমণ করার জন্য ট্রাকভর্তি ইট নিয়ে আসে। তাদের প্রত্যেকের হাতে ছিল বাঁশের লাঠি ও রড। অনেকটা সশস্ত্র অবস্থাতেই তারা প্রবেশ করে ময়দানে। কিন্তু ময়দান দখল করেও তারা ক্ষান্ত হয়নি, ময়দানে অবস্থানরত সাথীদের উপর চালায় অমানবিক নৃশংসতা।

এ সব পাশবিকতার ভিডিও চিত্র পুরোপুরি ধারণ করা না গেলেও তাদের প্রচারিত কিছু ভিডিও থেকে তাদের নৃশংসতার ভয়াবহতা কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়। যেসব সাথীরা ইজতেমা মাঠে অবস্থান করছিলেন তাদেরকে মেরে ধরে পিটিয়ে সেখান থেকে বের করে দেয়া হচ্ছে এমনটিই দেখা যাচ্ছে সাদপন্থী শাকিল আহমদের আইডি থেকে প্রচারিত একটি ভিডিওতে।

এমনকি অনেকটা যুদ্ধে বিজয়ের মত মাঠে অবস্থানরত সাথীদেরকে হাত উঁচু করে, কাউকে কান ধরে বের হয়ে যেতে তারা বাধ্য করেছে।

এটাই কি ইসলামের শিক্ষা? এটাই কি তাবলীগের শিক্ষা? না, কোনদিনই না। আর তারা মূলত ইসলাম ও তাবলীগ বুঝে না। কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তাবলীগ নষ্ট করার জন্য এখানে জমায়েত হয়েছিল ওই হায়েনারা। একজন মুসলিম কাফেরের উপর বিজয়ী হলেও এমন আচরণ করতে পারে না, যে আচরণ তারা মুসলিম হয়ে মুসলিম সাথীদের সাথে করেছে।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here