আল্লামা বাবুনগরী


টঙ্গী ইজতেমার মাঠ দখল করতে নিরীহ, নিরস্ত্র উলামায়ে কেরাম,তাবলীগের সাধারণ সাথী ও মাদরাসা ছাত্রদের উপর নগ্ন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী৷

১লা ডিসেম্বর শনিবার সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, টঙ্গীর মাঠে হতাহতের ঘটনা বড়ই দুঃখজনক৷ নিজেদের মধ্যে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা তাবলীগের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে৷ দাওয়াত ও তাবলীগ হলো, ঈমান-আমল শিক্ষার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম৷ ঈমান-আমলে শিক্ষার সাথে সাথে তাবলীগের অন্যতম উদ্দেশ্যে হলো পরস্পর জোড় মিল ও মুহাব্বাত পয়দা করা৷ তাই পরস্পর কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে এ কাজ করতে হবে৷

যুগ যুগ ধরে তাবলীগের কাজ স্বমহিমায় চলে আসছে৷ তাবলীগ জামাতে কোন দ্বিধা বিভক্তি ছিল না৷ বর্তমানে তাবলীগ জামাতে বিভক্তি ও হতাহতের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ইসলাম বিদ্বেষীদের চক্রান্ত বলে আমি মনে করি৷

তিনি আরো বলেন,তাবলীগ জামাতের বানী হযরতজ্বী মাওলানা ইলিয়াস রহ., হযরতজ্বী মাওলানা ইউসুফ কান্ধলভী রহ.এবং হযরতজ্বী মাওলানা ইন’আমুল হাসান রহ.এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে এ কাজ করতে হবে৷ তাহলে একাজের মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্যে পূরণ হবে৷

আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, একে অন্যের উপর হামলা করা তাবলীগী সাথীদের কাজ হতে পারে না৷ যারা মাঠ দখল করতে টঙ্গীতে নিরীহ তাবলীগী সাথী ও মাদরাসার ছাত্রদের উপর হামলা করছে তারা অমার্জনীয় অপরাধ করেছে৷

অনতিবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত মাধ্যমে এ ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে৷

এ ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফিরাত ও তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আল্লামা বাবুনগরী বলেন,যারা আহত হয়েছ তাদের সু -চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে৷ এবং ভবিষ্যতে যেন এমন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে সকলের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে৷

বিশ্ব ইজতেমা বাংলাদের জন্য একটি বড় নেয়ামত তাই আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণ করতে এবং তাবলীগ জামাতের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা ও দুআ কামনা করেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী৷

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here