ফাইল ফটো
 

রাজধনীর শাপলা চত্বরে গত ৫ মে হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচিতে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৩৯ জন নিহত হয়েছে বলে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে ‘হেফাজত-জামায়াতের মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ৪০০ দিন’ নামে একটি শ্বেতপত্রের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

সংগঠনটির উদ্যোগে ওইদিনের ঘটনায় ‘মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন’ নামে একটি কমিশন গঠন করে এ তদন্ত করা হয়। যার নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি সৈয়দ আমরুল ইসলাম। আর সদস্য সচিব ছিলেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘শাপলা চত্বরে ৫ মে মধ্যরাতে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৩৯ জন নিহত হয়েছেন।’

হেফাজতের তালিকা অনুযায়ী ৭৯ জন এবং মানবাধিকার সংগঠন অধিকার হিসাবে ৬১ জনের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেগুলোকে তিনি অতিরঞ্জিত ও বানোয়াট বলে মন্তব্য করেন শাহরিয়ার কবির। তিনি বলেন, ‘৫ মে এর ঘটনা তদন্তে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছিল। যার নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি সৈয়দ আমীরুল ইসলাম। সেই কমিশন ১ হাজার মাদরাসা ঘুরে ঘুরে এ বিষয়ে তদন্ত করেছে।’

৫ মে’র ঘটনায় নিহত ৩৯ জনের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে শাহরিয়ার কবির সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

ওই সমাবেশের পর হাজার হাজার আলেম হত্যার যে প্রচারণা চালানো হয় তার পরিপ্রেক্ষিতেই শ্বেতপত্রটি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয় বলে জানান শাহরিয়ার কবির। কমিশনের সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাংবাদিক কামাল লোহানী, কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক, অধ্যাপক অজয় রায়, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, শিক্ষাবিদ শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী প্রমুখ।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্মূল কমিটির একটি প্রতিনিধিদল জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে শ্বেতপত্রের কপি দেয়। (priyo.com)

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here