হাই কোর্ট

বাংলাদেশের সব পর্নো সাইট বন্ধ করতে হাইকোর্টের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিটিআরসি, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, এয়ারটেলম রবিসহ সংশ্লিষ্ট ৫টি মোবাইল অপারেটরকে এই আদেশ পালন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আজ ১৯ নভেম্বর সোমবার দুপুরে হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন হুমায়ুন কবীর পল্লব।

দেশে পর্নো সাইট বন্ধে একাধিকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও এসব সাইট পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। কিছুদিনের জন্য বন্ধ করা গেলেও পরবর্তীতে সাইটগুলো আবার সচল হয়ে যায়। পর্নো সাইট বন্ধ করতে না পারার পেছনে প্রযুক্তিগত সক্ষমতার অভাব বড় কারণ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্নো সাইট কারিগরিভাবে শতভাগ বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে ৯০ ভাগ বন্ধ করা সম্ভব। শতভাগ বন্ধের চেষ্টা করাও উচিত নয়। তাহলে সে চেষ্টা ব্যর্থও হতে পারে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে সরকার দেশে ৫৬০টি পর্নো সাইট বন্ধের নির্দেশ দেয়। এই ঘোষণা সে সময় দ্রুত কার্যকর করে সংশ্লিষ্টরা।

সে সময় ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবি’র সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক জানান, বিটিআরসির পাঠানো ৫৬০টির মধ্যে ৯০ শতাংশ সাইট বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। তালিকার অবশিষ্ট ১০ শতাংশ সাইট বন্ধ করতে সময় লাগছে।

তিনি বলেন, কিছু কিছু সাইট ক্লাউডে হোস্ট করা। ফলে আইপি ধরে ধরে সেগুলো বন্ধ করতে হচ্ছে। দেখা গেল একটা আইপি ধরে বন্ধ করা হলো, সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি আইপির মাধ্যমে ওই সাইট চালু হয়ে গেল। কারিগরি বিভিন্ন কারণে পর্নো সাইট বন্ধে কখনও পুরোপুরি সফল হওয়া যায় না।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here