মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সমস্যা সমাধানে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরবের সঙ্গে কাজ করতে চায় ইরান।

ওয়ায়েজি বলেন, ইরান ও তার প্রতিবেশী সৌদি আরবের সম্পর্ক তেহরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো নয়। তেহরান ও রিয়াদ তাদের সমস্যা সমাধানে কাজ করা উচিত।

কয়েক দশক ধরে ইরান ও সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে সিরিয়া ও ইয়েমেনে ছায়া যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটি আয়োজিত এক অধিবেশনে সৌদি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমের লাগাম ধরতে দেশটির সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সময় তিনি ইরানকে বিশ্বের সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। সৌদি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক হওয়ায় ইরানের সঙ্গে সৌদি আরবের বনিবনা হয় না।

জুবায়ের বলেন, ১৯৭৯ সাল থেকেই ইরানের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল সৌদি আরব। কিন্তু ধ্বংস ও মৃত্যু ছাড়া কিছুই পাইনি।

ইরান সরকার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নীতিতে বিশ্বাসী বলেও মন্তব্য করে জুবায়ের বলেন, ইরান যাতে তাদের নীতি পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়; তাই দেশটির বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখতে হবে।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব ২০১৬ সালে ইরানের সম্মানিত শিয়া আলেম শেখ নিমর আল নিমরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরে বিক্ষোভকারীরা তেহরানের মিশনগুলোতে হামলা চালায়। এরপর থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে ইরান তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছেদ করে।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here