ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে বেইত লাহিয়া এলাকায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। গাজা থেকে রকেট হামলা চালু রয়েছে দাবি করে ফিলিস্তিনে হামলা চালায় ইসরাইলের সেনারা।

বৃহস্পতিবার মিসরের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলন ও ইসরাইলের মধ্যে ওই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার উত্তর ইসরাইলে হামলা চালাতে রকেট ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এদিকে, যুদ্ধবিরতি উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত মিসরীয় এক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করার পর তিনি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে উভয় পক্ষের সম্মত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন বলে রয়টার্স জানিয়েছিল। ইসরায়েলের আর্মি রেডিও জানিয়েছিল, গাজা থেকে ছোড়া রকেটের আওতায় থাকা এলাকাগুলোতে জারি করা জরুরি বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে।

এদিকে দখলদার ইসরাইলে নতুন ধরনের রকেট নিক্ষেপ করেছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন ইসলামিক জিহাদ। যা হানাদার বাহিনীকে অবাক করে দিয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের মুখে তিনশ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক ধারন করতে সক্ষম, যাতে হামলার স্থলে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করতে পারে বলে জানা গেছে। জানা যায়, রকেটের এই আকার দেখে ইসরাইল বিস্মীত হয়েছে। ইরানি প্রকৌশলীদের সহায়তায় স্থানীয়ভাবে এসব রকেট তৈরি করা হয়েছে।

ইসরাইল এবং গাজার মধ্যকার সংঘর্ষের পেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক উদ্যোগও শুরু হয়েছে। দু’পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতির জন্য মিসর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি, আরব লীগ এবং জর্দান ইসরাইলি হামলার নিন্দা করেছে। লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহও ইসরাইলি হামলার সমালোচনা করেছে। সংগঠনটি ফিলিস্তিনিদের যেকোনো সংগ্রামের প্রতি নিজেদের সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেছে।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here