পাকিস্তানে সকল মুসলিম শিক্ষার্থীর জন্য উর্দু অনুবাদে কুরআন শিখতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এ নির্দেশ মাদ্রাসা বা ধর্মীয় বিদ্যালয়ের পাশাপাশি সরকারী, বেসরকারী এবং আধা-সরকারীসহ দেশব্যাপী সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োগ করা হবে।

পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী শাফকাত মাহমুদ বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ‘ইসলামিয়াত’ সিলেবাস বাধ্যতামূলক করে দিয়েছি। এই সিলেবাসের অধীনে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় সূরা ও হাদিসসহ দেখে দেখে কোরআন পড়া শিখবে। পর্যায়ক্রমে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে পবিত্র কোরআনের অনুবাদ যুক্ত করা হবে। এতে করে আমাদের শিশু-কিশোররা আমাদের ধর্মের মর্ম বুঝতে পারবে।

মাহমুদ বলছিলেন, ‘আমি তুরস্ক সফর করেছি। সেখানের সুপ্রসিদ্ধ ইমাম হাতিফ স্কুল এর শিক্ষা-ব্যবস্থা সম্পর্কে পড়াশুনা করেছি। আসলে সফল জীবন অর্জন করতে চাইলে আধুনিক শিক্ষার সাথে ধর্মীয় শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা খুব জরুরি।’

উল্লেখ্য, ২০১১ সাল থেকেই পাকিস্তানের প্রাদেশিক কিছু বোর্ডের সিলেবাসে বাধ্যতামূলক কোরআন শিক্ষা চালু হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে দেশের সকল বোর্ডে বাধ্যতামূলক কোরআন শিক্ষা চালু হওয়ার ব্যপারে দেশটির জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here