সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারলাম, পুলিশের পরিদর্শক সাইফুল আমিনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কারণ, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি অভিযোগ করেন- “চট্টগ্রাম আবাহনী ক্লাবের জুয়ার আসর থেকে গত পাঁচ বছরে ক্লাবটির মহাসচিব ও জাতীয় সংসদের হুইপ শামসুল হক চৌধুরী ১৮০ কোটি টাকা আয় করেছেন।”

সরকারি কর্মচারী বিধিমালা ২০১৮ এর বিধি ১২(১) মোতাবেক তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

তবে দুর্ভাগ্য এই জাতির! এত বড় অভিযোগের পরও বাস্তবতা উপলব্ধি করে দুদক কিংবা সরকারি কোন সংস্থা হুইপের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করলো না। কিংবা কোনো তদন্ত করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করলো না। উল্টো অভিযোগকারীকে ফাঁসানো হলো। এতে করে চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অপমৃত্যু হবে নিঃসন্দেহে।

শুরু থেকে একটা সন্দেহ কাজ করছিল যে, দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে যাওয়া দুর্নীতি ধামাচাপা দিতেই হয়তোবা এই অভিযান। এখন সে সন্দেহ বাস্তবতার আলো দেখতে শুরু করেছে। কেননা দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে আছে রাঘববোয়ালরা। চুনোপুঁটির কাছ থেকেই যখন কোটি কোটি টাকা ক্যাশ পাওয়া যাচ্ছে তখন রাঘববোয়ালদের কাছে কি পাওয়া যাবে তা জাতি ভালো করেই জানে।

আসল কথা হলো, জনগণ এ অভিযানকে ভালো চোখে দেখছে। এজন্য প্রশাসনের উচিত হবে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে সফল করা। (ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে)

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here