সে শিক্ষক নয়। একজন শিক্ষক কখনো এভাবে এতটা প্রহার করতে পারেন না। জীবিকা অর্জনের অন্য কোন পথ না পেয়ে কিংবা অন্য কোন উপায়ে জীবিকা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে সে শিক্ষকতার পেশা বেছে নিয়েছে। তার শিক্ষকতার মেজাজ নেই, নেই সাধারন অনুভূতি।

আজকাল গড়পড়তায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে, বদমেজাজি ও খিটখিটে মেজাজের অধিকারী লোকেরাও শিক্ষকের আসনে বসে যায় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নগ্নভাবে জড়িয়ে থাকে। ছাত্র গড়ার মুরোদ নেই, নেই শিক্ষকতার মানসিকতা! তারপরেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকতে হবে কেন? ঘোড়া বা গরুর গাড়ি টানার মেজাজ নিয়ে কখনো আদম সন্তানকে প্রশিক্ষণ দেয়া যায় কি?

সাভারের ওই ঘটনায় শুধু শিক্ষক নয়; এই পাষণ্ডকে যারা নিয়োগ দিয়েছে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে তাদেরকেও। যাতে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত প্রকৃত শিক্ষকেরা কলঙ্কের প্রলেপ থেকে বেঁচে যান এবং সাধারণ মানুষের শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটি বিনষ্ট না হয়।

তবে এই ধরনের ঘটনা শুধু মাদ্রাসায় সংঘটিত হয় এমন নয়; সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এমন অনেক ঘটনা ঘটে। গত পরশুদিন বরিশালের আগৈলঝাড়ায় তৃতীয় শ্রেণীর একজন ছাত্রী শিক্ষকের মারধরের কারণে আত্মহত্যা করেন। সুতরাং যারা বিষয়টিকে শুধুমাত্র মাদ্রাসার সমস্যা হিসেবে দেখছেন তারা সংকীর্ণমনা কিংবা মাদ্রাসাশিক্ষার অকল্যাণকামী।

(ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে)

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here