ফটিকছড়ির মাইজভান্ডারস্থ মান্নানিয়া পশ্চিম নানুপর দারুস সালাম ঈদগাহ মাদ্রাসা নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবলীগ নেতা হাসানের নেতৃত্বে হামলার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্র-শিক্ষকসহ স্থানীয় ৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী একজনের বিবরণে জানা যায়, হামলাকারীরা মাদরাসায় লুটপাট ও ভাঙচুর চালাতে থাকে। ছাত্র-শিক্ষক তাদেরকে বাধা দিলে তাদের উপর আক্রমণ চালায়। দিগ্বিদিক শূন্য শিক্ষকরা এলাকায় গিয়ে বিষয়টা অবগত করলে তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এতে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আগতদের উপরও এলোপাথাড়ি গুলি ও ধারালো অস্ত্র চালাতে থাকে। একপর্যায়ে মসজিদের মাইকের মাধ্যমে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী দলে দলে আসতে শুরু করে। সন্ত্রাসীরা তখন জুবায়ের, মুজিব উল্লাহ, নুরু, বাহাদুর সহ স্থানীয় ছয়জনকে গুলিবিদ্ধ ও জখম করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ এসে স্পট থেকে রক্তমাখা রামদা, লাঠি উদ্ধার করেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মো.আবু তৈয়ব,উপজেলা ইউ এনও সায়েদুল আরেফিন, ফটিকছড়ি ওসি রবিউল হোসেন, নানুপুরের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজম, ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আইয়ুব কন্ট্রাক্টর ও ভূমি কর্মকর্তা তৈয়ব এবং রফিকসহ প্রমুখ।

সবশেষে উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মো.আবু তৈয়ব অপরাধীর বিচার করার আশ্বাস দিলে উত্তেজিত এলাকাবাসিকে শান্ত হয় ।

উল্লেখ্য, জমিটি সরকারী খাস। ঈদগাহ হিসাবে রেকর্ডকৃত। তবে এলাকায় মসজিদে মসজিদে ঈদের জামাত হওয়ায় জমিটি পরিত্যক্ত হয়ে থাকে। এতে সুযোগ পায় মাদকসেবীরা এবং আড্ডা খানায় পরিণত করে।
এসব থেকে নামাজের পবিত্র ভূমিকে রক্ষা করতে সেখানে একটি মসজিদ ও মাদ্রাসার উদ্যোগ নেয় এলাকাবাসি।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here