কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের মধ্যে দুজন মাদ্রাসার শিক্ষক ও দুজন মাদ্রাসার ছাত্র।

পুলিশ বলছে, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের বয়ানে উদ্বুদ্ধ হয়ে দুই মাদ্রাসাছাত্র বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর করেছেন।

আজ রোববার বিকেল সাড়ে তিনটায় কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার মুহিদ উদ্দীন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গতকাল শনিবার রাতে কুষ্টিয়া পৌরসভার সচিব কামাল উদ্দীন বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা করেন। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তবে, ভাস্কর্য ভাঙচুরের অভিযোগে ৪ জনকে আটক করা হলেও অনেকেই বলছেন, পুরো ঘটনাটি সরকারে সাজানো। আলেম-ওলামাদেরকে হয়রানী করতে সরকার ষড়যন্ত্র করে এই নাটক সাজিয়েছে।

এইদিকে, ভাস্কর্য ভাঙচুরের দিকে ইঙ্গিত করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল আজ এক আলোচনা সভায় বলেন, “এই সময়ে যত অপকর্ম এটা আপনাদের ছাড়া আর কে করতে পারে? আপনারাই করতে পারেন। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সেটা আপনারা তৈরি করছেন।”

 

 

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here