অবশেষে নাজিরহাট মাদ্রাসায় চলা দীর্ঘ ৫ মাসের জটিলতার অবসান ঘটেছে। শূরা সদস্যদের প্রত্যক্ষ মতামতের ভিত্তিতে নায়েবে মোহতামিম মুফতি হাবিবুর রহমান কাসেমীকে পূর্ণাঙ্গ মোহতামি ঘোষণা করা হয়েছে এবং স্বঘোষিত মোহতামিম মাওলানা সলিমুল্লাহসহ ১৪ শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ বুধবার ( ২৮ অক্টোবর) মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির শূরা সদস্যদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বিপুল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের নজরদারিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী,মওলানা আব্দুল হালিম বোখারী, আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী, হাফেজ কাসেম সাহেব, আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদিসহ মোট ১৫ শূরা সদস্যের ১৩ জন উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, শূরা সদস্যদের মধ্যে মাওলানা আব্দুল্লাহ (চারিয়া মাদ্রাসা) বিদেশে থাকায় এবং মাওলানা শেখ আহমদ শারিরীক অসুস্থতার কারণে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না।
বৈঠকে মুফতি হাবিবুর রহমান কাসেমীকে মোহতামিম ঘোষণা ছাড়াও – মৌলানা ইয়াহিয়া ও হাফেজ মোঃ ইসমাইলকে নায়েবে মোহতামিম করার কথা জানানো হয়। এছাড়া নতুন শিক্ষাসচিব হিসেবে মাওলানা- হাবিবুল্লাহ নদভীর নাম ঘোষণা করা হয়।
বৈঠকে মাদ্রাসার সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট করার দায়ে মাওলানা সলিমুল্লাহ ও তার সহযোগী ১৩ শিক্ষককে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের অধিকাংশকে মাওলানা সলিমুল্লাহ অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
উল্লেখ্য- গত ২৭ মে মাদ্রাসার মুহতামিম শাহ মুহাম্মদ ইদ্রিস ইন্তেকাল করলে সহকারী পরিচালক মুফতি হাবিবুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত মুহতামিমের দায়িত্ব দেয় শূরা কমিটি। পরবর্তিতে মাদ্রাসার শূরা সদস্য হাটহাজারী বড় মাদ্রাসার প্রয়াত পরিচালক আল্লামা আহমদ শফী ম মুহতামিম ঘোষণা করেছে দাবি করে মাদ্রাসায় নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে মরিয়া হয়ে উঠে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা কারণে সমালোচিত মা সলিমুল্লাহ। যার ফলে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভাজনের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসাজুড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here