ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাম জামে মসজিদে এশার নামাজ শেষে মোনাজাত চলাকালেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে একাধিক এসির। মুহূর্তেই মসজিদের ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময়ে মসজিদে থাকা মুসল্লীদের গায়ে আগুনের ফুলকি গিয়ে পড়লে একে একে দগ্ধ হতে থাকে মুসল্লীরা। মসজিদের ভেতর থেকে আসতে থাকে মুসল্লীদের আত্মচিৎকার।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এশার নামাজ আদায়কালে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে দগ্ধদের শরীরের ৬০-৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা।স্থানীয়রা জানান, এশার নামাজ চলাকালীন অবস্থায় বিকট শব্দে এসি বিষ্ফোরিত হয়। সাথে সাথে মুসল্লিদের শরীরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৩৭ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইনস্টিটিউট ভর্তি হয়েছেন।। এর আগে স্থানীয়রা বেশিরভাগ দগ্ধ ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। দগ্ধদের অবস্থা এত খারাপ ছিল যে, তাদের শরীরে হাত দেয়া যাচ্ছিলো না। পরে আহতদের দ্রুত শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল ও গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডিএমসি) প্রেরণ করা হয়। ডিএমসি পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, এখন পর্যন্ত ৩৭ জন শেখ হাসিনা বার্ন হাসপাতালে এসেছেন। সবার চিকিৎসা চলছে। বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। ফতুল্লা থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, নামাজে প্রায় ৮০ জনের মতো মুসল্লি অংশ নিয়েছিলেন। পরে এসি বিস্ফোরণে দগ্ধদের উদ্ধার করে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে পাঠানো হয়। দগ্ধদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন- মো. ফরিদ (৫৫), শেখ ফরিদ (২১), মনির (৩০), মোস্তফা কামাল (৩৫), রিফাত (১৮) মাইনুউদ্দিন (১২), মো. রাসেল রাশেদ, নয়ন, বাসার মোল্লা, বাহাউদ্দিন, শামীম হাসান, জোবায়ের, জয়নাল, মোহাম্মদ আলী সাব্বির, মোহাম্মদ আলী, মামুন, কুদ্দুস বেপারী, মোহাম্মদ নজরুল, সিফাত, আব্দুল আজিজ, নিজাম, মো. পেনান, নাদিম হুমায়ুন, ফাহিম, জুলহাস, ইমরান হোসেন, আব্দুস সাত্তার, আমজাদ, মসজিদের ইমাম আবদুল মালেক, মোয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেন।

সুত্র:- bhorerkagoj

বিস্তারিত আসছে পরবর্তী সংবাদে।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here