মুফতি হারুন ইজহার :  ভারতের নাগরিকত্ব আইন আর বাংলাদেশে রাজাকারের তালিকা একই সূত্রে কি গাঁথা? আমি আগেই বলেছিলাম “যুদ্ধাপরাধ” প্রকল্পের পরেও এদেশে ভারতের আরো অসমাপ্ত পরিকল্পনা রয়ে গেছে।

হত্যা ও গণহত্যার আগে অনেকগুলো ধাপ থাকে। মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা,বিভক্তি তৈরী করা,আইনপ্রণয়ন ইত্যাদি…
আফসোস! পশ্চীমা সূত্রের বরাতে কোন তথ্য প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত দেশের লোকজন তা আমলে নিতে অভ্যস্ত না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ও জেনোসাইড ওয়াচের প্রেসিডেন্ট ড. গ্রেগরি স্ট্যানটন বলেছেন ভারতে নিশ্চিতভাবেই গণহত্যার প্রস্তুতি চলছে।

আঞ্চলিক এ নাজুক পরিস্থিতিতে দেশীয় পরিমণ্ডলে একটা ছোট্ট আলোকছটা দেখা দিয়েছে ঢাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নূর’ দের মধ্য দিয়ে।
অথচ তের সালে আমরা জেগেছিলাম আর জাগিয়ে দিয়েছিলাম।
আর এখন যখন আর বড়, গভীর,ব্যাপক ও অধিক ভয়ানক কারণ তৈরী হয়েছে তখন আমরা ছত্রভঙ্গ, কিছুটা বিকিয়ে যাওয়া, কিছুটা শীতের(!) আমেজে গাফেল।
নূরদের ভারতবিরোধী গগনবিদারী ধ্বনি যতবার শুনি ততোবারই লজ্জা লজ্জা অনুভব করি।
খোরাসানী শার্দূলদের বঙ্গীয় জাতিভাই কওমীয়ানরা আসলেই কি সৈয়্যদ আহমদ শহীদের বংশধর?

হাতে শিকল! তাতে ভয় নেই। কিন্তু পিঠের ছুরি একটু পিছিয়ে দিতে চায় আমাদের। বলা হবে ‘ওরা আমাদের কেউ না’।

এসো পাল্টা স্রোত সৃষ্টি করি!
এসো কাতারবদ্ধ হই!!
এসো ইমামের খোঁজে কাজ কারি!!!

লক্ষ্য এখন হওয়া উচিৎ নয় কোন গতানুগতিক রাজনৈতিক ইস্যু অথবা কোন বাহ্যিক ক্ষুদ্র ধর্মীয় ইস্যু। লক্ষ্যকে আরো মৌলিক জায়গায় ও অগ্রাধিকারের পয়েন্টে স্থীর করতে হবে।
“আল্লাহু আকবার,খামোশ” বলে আধিপত্যবাদের কলিজায় আঘাত করতে হবে।

আবার স্মরণ করিয়ে দেই, ইসলাম নির্মূলের এ আঞ্চলিক পরিকল্পনায় ভারতের পিছনে যুক্ত আছে ইসরাঈল।

কাফেলাবদ্ধ হয়ে যাও, বিজয়ের মানচিত্র শিখে নিতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
এ আজান বন্ধ হলে আরো আযানের ধ্বনিত হবে… বি’ইজনিল্লাহ্!

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here