স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি পর্যালোচনা করে প্রথম ধাপে ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধে সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছেন। এমনকি শহীদ পরিবারের সদস্যদের নামও রয়েছে তালিকায়। অথচ এতে নেই চিহ্নিত অনেক রাজাকারের নাম। এসব কারণে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার এ নিয়ে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের পেজ থেকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধার তালিকা করার সময় বোঝা গিয়েছিল কী দুর্নীতি আর অনাচার করা হয় তালিকা নিয়ে।

ঢাবি অধ্যাপক বলেন, এ সরকারের আমলে রাজাকার তালিকা নিয়ে এরকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক হয়রানি, প্রতিশোধ, সম্পদ দখলের মতো বিষয় থাকার সম্ভাবনা আছে বলে এখানে কারচুপি হবে আরও বেশি।

তিনি বলেন, আর তড়িঘড়ি করে তালিকা প্রকাশের সময়টা লক্ষ্য করেন। যখন ভারতের সম্ভাব্য পুশ-ইনের বিরুদ্ধে আমাদের সব মনোযোগ নিবদ্ধ থাকা উচিত ঠিক তখনই চরম বিতর্ক সৃষ্টি হতে পারে এমন তালিকা প্রকাশ কেন?’

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here