নরওয়ের আগদার শহরে উগ্রবাদী খ্রিস্টান কর্তৃক মানবজাতির একমাত্র মুক্তির সনদ মহাগ্রন্থ আল কুরআনুল কারীমের অবমাননার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের সর্ব বৃহৎ অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

আজ ২৫ নভেম্বর সোমবার সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী বলেন,নরওয়েতে কুরআন অবমাননা করে বিশ্বমুসলিমের কলিজায় আঘাত করা হয়েছে।পবিত্র কুরআনের অবমাননা অগ্রহণযোগ্য, কিছুতেই এই সীমালঙ্ঘন মেনে নেয়া যায় না।এর কারণে মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। তিনি বলেন,বিশ্বের কোথাও ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো ধরণের উস্কানি ও ষড়যন্ত্র মেনে নেয়া হবে না। প্রত্যেক দেশের সংবিধানে মানুষের মর্যাদার কথা বলা হয়েছে। মানুষের ধর্ম বিশ্বাস ও মূল্যবোধ তার মর্যাদার নানা দিকের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। তাই পবিত্র কোরআন অবমাননা মানবাধিকার লংঘন এবং বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণার লংঘনের শামিল।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন,২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে মোট জনসংখ্যার ২.৩ শতাংশ মুসলমান।বর্তমানে নরওয়েতে মুসলমানরা দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠি সত্বেও সেখানে কুরআন অবমাননার মতো ঘটনা মেনে নেয়া যায় না। কুরআনুল কারিম মুসলিম উম্মাহর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ।কুরআন অবমাননার এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো খ্রিস্টান জাতি বিশ্বমুসলিমের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।এবং কুরআনের মর্যাদা রক্ষায় কুরআন অবমাননার শাস্তি হিসেবে বিশ্বের সকল দেশে মৃ’ত্যুদণ্ড বিল পাশ করা উচিত।

কুরআন অবমাননাকারীকে রুখে দিয়ে কোরআনের ইজ্জত রক্ষা করায় যুবক ইলিয়াসের ভূয়সী প্রশংসা করে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, কুরআন অবমাননাকারী সেই উগ্র খিস্টানকে রুখে দিয়ে কুরআন প্রেমের উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে যুবক ইলিয়াস।একজন মুসলমান কুরআনকে কতটা ভালবাসে তা বিশ্ববাসীকে দেখিয়েছেন তিনি। ও.আই.সি,আরবলীগ সহ বিশ্বব্যাপী মুসলিম শাসকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কুরআন অবমাননার এই ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়া উচিত। হিরো অব দ্য মুসলিম ইলিয়াসের নিঃশর্ত মুক্তি ও কুরআন অবমাননাকারী উগ্রবাদী খিস্টান লার্শ থারসনের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে নরওয়ে-সরকারের প্রতি আহবান জানান হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here