ভারতের সব জায়গায় নাগরিকপঞ্জিকরণ করা নিয়ে পরস্পরবিরোধী কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, ২০১৯-এর বিরুদ্ধে বিধান সরণির স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি থেকে গান্ধী ভবন পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেয়ার সময় মঙ্গলবার মোদি সরকারের ওই সমালোচনা করেন মমতা।

পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করতে দেবেন না বলে এর আগেও হুঙ্কার ছাড়েন তৃণমূল নেত্রী। এবার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসির বিরুদ্ধে করা একটি সমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, বিজেপির চেয়ে বড় কোনো জালিয়াত ছিল না।

এই দলের উদ্দেশ্য নিয়ে জনগণের সচেতন হওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী বলছেন, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি সারা দেশে চালু হওয়া নিয়ে কোনো আলোচনা বা প্রস্তাব হয়নি।

অথচ কয়েক দিন আগেই বিজেপি সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এনআরসি দেশজুড়েই করা হবে।

উভয় বক্তব্যই পরস্পরবিরোধী। আমরা আশ্চর্য হচ্ছি এটি ভেবে যে– কে সত্যি কথা বলছেন। ওরা আসলে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

তৃণমূল নেত্রী বলেন, বিজেপি ভারতকে ভাগ করার চেষ্টা করছে, তবে দেশের মানুষ তা কিছুতেই হতে দেবে না, হুশিয়ারি দেন তিনি।

“আমি যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন আমি তাদের বাংলায় সিএএ বা এনআরসি প্রয়োগ করতে এবং ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে বিভক্ত করতে দেব না।

অসমে, যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানে শরণার্থী শিবির তৈরি করা হয়েছে। বাংলায় আমরা কখনই তা করতে দেব না, জোর গলায় বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তৃণমূল নেত্রী বলেন, ঝাড়খন্ড বিধানসভা ভোটে পরাজিত করে ‘অহঙ্কারী’ বিজেপিকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here